rockland bd

সেই হাতিটি এখন শঙ্কামুক্ত

0

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে উদ্ধার হওয়া ভারতীয় হাতিটি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত। সাড়ে ১০ ঘন্টা অজ্ঞান থাকার পর রাত গতকাল বৃহস্পতিবার ১২টার দিকে হাতিটির জ্ঞান ফেরার পর তাকে নিয়মিত শারীরিক চিকিৎসা ও খাবার দেয়া হচ্ছে বলে আজ শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের জানালেন শেরপুরের বিভাগীয় উপ-প্রধান প্রাণী ও বন সংরক্ষক ড. তপন কুমার দে। ড. তপন কুমার দে’র নেতৃত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ০১.৫৮ মিনিটে সরিষাবাড়ী পৌর এলাকার কয়ড়া গ্রামের নির্জ্জন স্থানে ভেটেনারী সার্জন ডাক্তার সাইদ হোসেন টাংকুলাইজার মেটাল ডাট দিয়ে বন্য হাতিটিকে লক্ষ করে আঘাত হানলে ১৫ মিনিটের মধ্যে ওই হাতিটি জ্ঞান হারিয়ে পানিতে পড়ে যায়। এসময় এলাকার ও উৎসুক হাজারো জনতার সহায়তায় পানিতে পড়া হাতিটি ডাঙ্গায় তুলতে সক্ষম হয়। পরে হাতিটিকে লোহার শিকল ও লাইলনের রশি দিয়ে তাৎক্ষণিক পা বেঁধে গাছের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। এ সময় বন্য প্রাণী বিভাগের ব্যবস্থাপনা বন কর্মকর্তা শেরপুর হাবিবুল্যাহ হাবিব জানান, হাতিটি বেশ সুস্থ রয়েছে। তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তুলতে আরো এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা গবিন্দ দাস, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রাণী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মুস্তাফিজুর রহমান, সহকারী ভেটেনারী সার্জন আতিকুল ইসলাম ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদফতরের ঢাকা অঞ্চল পরিদর্শক অসীম মল্লিক গতকাল বৃহস্পতিবার রাতভর হাতিটিকে পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন। এর সাথে স্থানীয় প্রাণী বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যোগ দিয়েছেন। এদিকে সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া ঘটনাস্থলের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদফতরের ঢাকা অঞ্চল পরির্দশক অসিম মল্লীক নয়া দিগন্তকে জানান, হাতিটিকে শারীরিকভাবে সুস্থ করে তোলার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত কয়ড়া গ্রাম নামক স্থানে থাকবে। হাতির চিকিৎসা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ওখানেই চলছে। হাতিটি সম্পূর্ণ সুস্থ হলে সাফারি পার্কে নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

Leave A Reply