rockland bd

রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী গ্রুপে যোগদান ঠেকাতে র‌্যাবের নতুন ব্যাটালিয়ন

0

রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী গ্রুপে যোগদান ঠেকাতে র‌্যাবের নতুন ব্যাটালিয়ন

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা
সোমবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:
কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু শিবির থেকে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর জনবল সংগ্রহের একটি প্রচেষ্টা ভণ্ডুল করে দেয়ার পর দেশটির এলিট সন্ত্রাসদমন বাহিনী – র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) শুধু রোহিঙ্গাদের উপর নজরদারি করার জন্য আলাদা একটি ব্যাটালিয়ন গঠন করেছে।
কক্সবাজারভিত্তিক র‌্যাবের এই ১৫তম ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয়েছে। এখানেই রয়েছে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কয়েকটি উদ্বাস্তু শিবির। নতুন এই ব্যাটালিয়নের নাম ‘পার্বত্য ব্যাটালিয়ন’। এর সদর দফতর হবে কক্সবাজারে।
২০১৮ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় র‌্যাব-১৫ গঠনের বিজ্ঞপ্তি জারি করে। র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, এই ব্যাটালিয়ন উদ্বাস্তু শিবিরের নিরাপত্তা জোরদার করবে, রোহিঙ্গাদের চলাচলের উপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখবে এবং কক্সবাজারের পাশাপাশি তিন পার্বত্য জেলা – রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করবে।
এই ব্যাটালিয়ন গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জেএমবি’র রোহিঙ্গা রিক্রুটের প্রচেষ্টার খবর প্রকাশিত হয়। তখন কাউন্টার-টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের স্পেশাল এ্যাকশন গ্রুপ ঢাকা থেকে আব্দুল হাকিম, নোমান ও শাফি নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল হাকিম স্বীকার করে সে জেএমবি’র কক্সবাজার শাখার আঞ্চলিক প্রধান।
নোমান জানায় সে জেএমবি’র চট্টগ্রাম অঞ্চলের সামরিক প্রধান। অন্যদিকে শাফি সংগঠনটির সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করে। তারা স্বীকার করে যে মিয়ানমার থেকে কমান্ডো নাইফ সংগ্রহ করে রোহিঙ্গা বাহকদের মাধ্যমে কক্সবাজারে নিয়ে আসা হয়।
আহমেদ আরো বলেন, এই তিন জেএমবি কর্মী ২০১৬ সাল থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করছে। তারা রোহিঙ্গাদের সাহায্য করার নামে তাদের সংগঠনের জন্য সদস্য সংগ্রহ করছিলো। তারা অন্তত ৪০ জন সদস্য সংগ্রহ করেছে। তবে এই তিনজনকে গ্রেফতারের মাধ্যমে নিরাপত্তা বাহিনী সময়মতো তাদের প্রচেষ্টাকে ভণ্ডুল করে দিতে পেরেছে।
সূত্র জানায়, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সীমান্ত নদী নাফ পার হয়ে মিয়ানমার থেকে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে প্রবেশের কারণে অনেক জাতিগোষ্ঠীর উপর হামলা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে আশ্রয় দেয়া হচ্ছে। র‌্যাব-১৫ নদী পার হয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করবে।
এছাড়াও র‌্যাব-১৫ আন্তসীমান্ত চোরাচালান, মাদক ও মানব পাচারের উপর নজর রাখবে। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে এ ধরনের ঘটনা অহরহ ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আর এইচ

Comments are closed.