rockland bd

চারঘাটে জোরেসোরে চলছে উপজেলা নির্বাচনের প্রস্তুতি

0

রাজশাহী প্রতিনিধি
রবিবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:
গত ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই রাজশাহীর চারঘাটে শুরু হয়েছে উপজেলা নির্বাচনের তোড়জোড়। চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন ও সমর্থন পেতে নেতারা শুরু করেছেন দৌড়ঝাঁপ।
এতে দু’দলের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্ব-স্ব অবস্থানে সবাই দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশাবাদী।
আগামী ফেব্রুয়ারী মাসে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল আর মার্চে নির্বাচন ধরে নিয়ে তৎপরতা শুরু করেছেন তারা। এবার প্রথমবারের মত উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হবে। সে ক্ষেত্রে প্রার্থীদের দল থেকে মনোনয়ন নিতে হবে।
নির্বাচনের ঘোষণা আসার পর পরই চারঘাটে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে কে কে প্রার্থী হতে চান তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। ইতোমধ্যেই অনেকেই দলীয় মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি জানান দিচ্ছেন।
আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধরণ সম্পাদক ফকরুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক একরামুল হক, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী মাহমুদুল হাসান মামুন।
আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়েই অংশ গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফকরুল ইসলাম। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বলে জানান তিনি।
এছাড়া চারঘাটের সাধারন মানুষেরও তার প্রতি রয়েছে সমর্থন। সব মিলিয়ে এবারের উপজেলা নির্বাচনে ফকরুল ইসলামকে চারঘাট আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সবচেয়ে বড় দাবীদার বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
এছাড়াও দলীয় মনোনয়ন পেলে এবার উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিবেন বলে জানিয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক একরামুল হক।
তিনি বলেন, সাধারন মানুষের পাশে সব সময়ই থেকেছি। এবার উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে এলাকার উন্নয়ন করতে চাই। আশা করি দল আমাকে মনোনয়ন দেবে।
এদিকে নির্বাচন নিয়ে প্রচারনা শুরু করেছেন আরেক সম্ভাব্য প্রার্থী মাহমুদুল হাসান মামুন। জনপ্রিয়তার বিবেচনায় দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে তিনি পাবেন বলে মনে করছেন তার নিকটজনরা।
অপরদিকে,উপজেলা নির্বাচন নিয়ে বিএনপি একেবারে নিস্ক্রিয়। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করলে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে প্রার্থী হতে চান।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ পর পর দুইবারের উপজেলা চেয়ারম্যান। এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন তিনি।
যদিও পরে হাইকোর্টে তার পার্থীতা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। তিনি নাশকতার মামলায় জেলে রয়েছেন।
উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুরাদ পাশা বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিবে কিনা তা নিশ্চিত নয়। তবে দল নির্বাচন করলে আবু সাঈদ চাঁদের নির্বাচন করার সম্ভাবনা আছে বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদ(সনি)/আর এইচ

Comments are closed.