rockland bd

সাতক্ষীরায় ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ:হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট

0

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল

ডেস্ক প্রতিবেদন
শনিবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:
কনকনে শীতে কাঁপছে উপকূলীবর্তী সাতক্ষীরার মানুষ। শীতল বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগ। শিশুদের শীতজনিত কারণে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ছে জেলার সব এলাকায়।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহে ভর্তি হয়েছে ৮৪ জন শিশুরোগি। এদের প্রায় সবাই শীতজনিত ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। গত দু’দিনেই সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রায় ৪০ শিশুরোগি। অথচ এ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ধারণ ক্ষমতা মাত্র ১২জন।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, এই শীতের মধ্যে অধিকাংশ শিশুর চিকিৎসা চলছে মেঝেতে ও বারান্দায়। ১২ শিশুর ধারণ ক্ষমতার ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছে ৪০ শিশু। এতে করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, গত এক বছর ধরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেই কোনো শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
শনিবার সকালে সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ছিল ৩১ জন শিশু। এদের মধ্যে সকলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। কয়েকজন আবার ভুগছে শ্বাসকষ্টে। তাদের দেয়া হচ্ছে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা।
শিশু রোগিদের স্বজনরা চিকিৎসক স্বল্পতার কথা জানিয়ে বলেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার শামসুর রহমান দিনে দুবার এসে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে শিশু রোগিদের দেখাশুনা করছেন এবং ওষুধপত্র দেন।
ডা: শামসুর রহমান বলেন, সদর হাসপাতালে ডাক্তার শূন্যতার কারণে এভাবে এক বছর যাবৎ তিনি শিশু রোগিদের দেখাশুনা করছেন। দিনে রাতে দুবার তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
এই চিকিৎসক আরও বলেন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডটির অবস্থা জরাজীর্ণ। জানালায় নেই গ্লাস। অবস্থা বুঝে অনেক সময় শিশু রোগিদের বাড়িতে পাঠানো হয়।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে ওষুধের ঘাটতি না থাকলেও ডাক্তার সংকট রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়েছে। আশা করা যায় খুব শিগগিরই ডাক্তার সংকটের বিষয়টি নিরসন হবে।-ইউএনবি
এবিএস

Comments are closed.