rockland bd

কে হাসবেন জয়ের শেষ হাসি

0

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি
শনিবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:
রংপুর-৪ কাউনিয়া-পীরগাছা আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৯৯১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ ৩ জাপা ৩ ও বিএনপি ১বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছিল।
একটি সূত্রে জানাগেছে ১৯৯১ সালে নির্বাচনে জাপা প্রার্থী শাহ আলম ৭৬ হাজার ২শ’ ৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আওয়ামী লীগের শাহ আব্দুর রাজ্জাক পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩শ’২৫, বিএনপির রহিম উদ্দিন ভরসা ২১ হাজার ১শ’ ৯১, জামায়াতের মমতাজ উদ্দিন ২০ হাজার, ৯শ’৫৬ ভোট। ১৯৯৬ নির্বাচনে জাপা প্রার্থী করিম উদ্দিন ভরসা ৮৪ হাজার ৩শ’ ৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আওয়ামী লীগের মোহসিন আলী বেঙ্গল পেয়েছেন ৪০ হাজার ৭৬, বিএনপির রহিম উদ্দিন ভরসা ৩০ হাজার ৯শ’ ৮, জামায়াতের মমতাজ উদ্দিন ২৩ হাজার,৬শ’২৩ ভোট। ২০০১ সালে নির্বাচনে জাপা প্রার্থী করিম উদ্দিন ভরসা ৯৩ হাজার ৬শ’ ৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন বিএনপির রহিম উদ্দিন ভরসা ৮৩ হাজার ৮শ’ ২৫,আওয়ামী লীগের টিপু মুন্শি পেয়েছেন ৬৬ হাজার ২শ’ ৮৮ ভোট। ২০০৮ সালে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিপু মুন্শি ১লাখ ১৮ হাজার ৮শ’ ৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন জাপা করিম উদ্দিন ভরসা পেয়েছেন ১লাখ ৩হাজার ৬শ’ ৪৩, বিএনপির রহিম উদ্দিন ভরসা ৬৩ হাজার ৯শ’ ৯৯ ভোট। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের টিপু মুন্শি ১লাখ ১৩ হাজার ৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন জাপা করিম উদ্দিন ভরসা পেয়েছেন ৫হাজার ৯শ’ ৮৬ ভোট।

ভোটের বাকী মাত্র ২ দিন। রংপুর-৪ কাউনিয়া-পীরগাছার আসনে হাটে ঘাটে মাঠে পাড়ায় মহল্লায় নির্বাচনী প্রচারনা শেষ। মিছিল শেষে কোথাও ছিল খিঁচুরী,কোথাও বিস্কুট চা আবার কোথাও খোরমা বিতরন। সব মিলিয়ে ভোটের মাঠে এখন সরগরমের শব্দ নাই। এমনিতেই এই সময়টাতে কৃষকদের হাতে তেমন কাজ তাকে না তাই তারাও নেতাদের আহ্বানে ভোটের প্রচারনা চালিয়েছেন মাঠে ময়দানে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে সবার মনে এখন একটি প্রশ্ন কে হচ্ছেন এমপি? আর জয়ের শেষ হাসি কে হাসবে?
এই আসনে নির্বাচনী মাঠে ৬ জন প্রার্থী থাকলেও ভোটের মাঠ দখলে রেখেছেন আওয়ামী লীগের টিপু মুনশি, বিএনপি’র এমদাদুল হক ভরসা আর লাঙ্গলের মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল। তাই নির্বাচনী খেলার মাঠে খেলছে নৌকা, ধানের শীষ আর লাঙ্গল এবারে লড়াই হবে এ তিন প্রতীকের। এ তিন দলের প্রার্থীরা নানা রকম উন্নয়ন, প্রতিশ্রুতি, লোভনীয় সব অফার দেখাচ্ছেন ভোটারদের। পুরুষ ভোটাররা লোভনীয় প্রতিশ্রুতি আর উন্নয়ন এবং ভোটের অধিকার ফিরে পেতে ভোটের মাঠে ঘুরে বেড়িয়েছেন দিবা-রাত্রী। সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত নির্বাচনী অফিস গুলোতে ভীর ছিল চোখে পড়ার মতো। এত দিন ভোটের খেলায় আর ভোটের মেলায় যাই ঘটুক এখন এ এলাকার ভোটাররা হিসেব কষতে শুরু করেছেন কে হবেন এমপি ? আর কেইবা হাসবেন জয়ের শেষ হাসি। এ প্রশ্নের উত্তরে যে যে দল কে পছন্দ করেন সে সেই প্রার্থীর কথাই বলছেন। তবে এই আসনে এবার বাস্তব অবস্থা একটু অন্য রকমের। ভোটের মাঠে সক্রীয় নেই কিন্ত ভোট দিবেন এমন সব মানুষ বলছেন আওয়ামীলীগের টিপু মুন্শি ১০ বছরে যে উন্নয়ন করেছেন তাতে এবার তারই এমপি হবার সম্ভবনা অনেক বেশী অপরদিকে কেউ কেউ বলছেন ১০ বছর ভোট দিতে পারিনি তাই এবার নিরপেক্ষ ভোট হলে বিএনপির এমদাদুল হক ভরসার ধানের শীষ বিপুল ভোটে জয়ী হবে। খেটে খাওয়া মানুষ গুলো বলছেন অন্য কথা তাদের ছাফ কথা হামরা এরশাদের আর এরশাদ হামার তাই এবার এরশাদের লাঙ্গল মোহসিন আলী বেঙ্গল এমপি হবে। সব কিছুর মূলে এবার দেখার পালা ৩০ তারিখের নির্বাচনে কার ভাগ্য খোলে, কে পরেন জয়ের মালা আর কে হাসবেন জয়ে শেষ হাসি।
সারওয়ার আলম মুকুল/আর বি

Comments are closed.