rockland bd

গাইবান্ধা সদরে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে নৌকা ও ধানের শীষে

0

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
রবিবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জমে উঠেছে ভোটের লড়াই। এ আসনটিতে এবার মোট ৬ জন প্রার্থী। তবে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে আওয়ামী লীগ (নৌকা) প্রার্থী মাহাবুব আরা বেগম এবং বিএনপি (ধানের শীষ) প্রার্থী আব্দুর রশিদ সরকারের মধ্যে। দিন নেই, রাত নেই প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দোর গোড়ায়। দোয়া চাইছেন, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা।
আওয়ামী লীগ মনোনীত মহাজোট প্রার্থী মাহাবুব আরা বেগম বর্তমানে জাতীয় সংসদের হুইপ। তিনি পর পর দু’বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে মহাজোট থেকে নির্বাচন করে তিনি ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তিনি জেলায় প্রথম মহিলা সংসদ সদস্য যিনি সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনেও তিনি নির্বাচিত হন। পর পর দু’বার নির্বাচিত হয়ে তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। এবারেও নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্যে মাঠে ময়দানে জনসংযোগে ব্যস্ত রয়েছেন। তিনি ভোটারদের কাছে তার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের জন্য সকল ভোটারগণকে আরেকবার সুযোগ দেয়ার আহবান জানান।
অপরদিকে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী আব্দুর রশিদ সরকার জাতীয় পার্টি থেকে পদত্যাগ করে সদ্য বিএনপিতে যোগদান করে দলীয় মনোনয়ন পান। প্রথমে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে দলের একাংশ তাকে মেনে নিতে পারেননি। কারণ তাদের নিজস্ব প্রার্থী ছিলো। কিন্তু ক্রমেই আব্দুর রশিদ সরকার দলের সকলের প্রার্থীতে পরিণত হন। দলে বিভেদ দূর করে সবাই এক প্লাটফরমে এসে আব্দুর রশিদ সরকারকে জয়ী করতে একসাথে কাজ করছে এখন। আব্দুর রশিদ সরকার জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১ এবং ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে পর পর দু’বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে সে সময় বেশকিছু উন্নয়ন কাজ করেন। তিনি জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং জেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন।
এই দুই প্রধান প্রার্থী এখন গণসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। দু’জনেই এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন বলে ভোটারদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ধারণা এই দুই প্রার্থীর হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে। এ আসনে অন্য যারা নির্বাচন করছেন তারা হচ্ছেন- সিপিবির মিহির কুমার ঘোষ (কাস্তে), এনপিপির জিয়া জামান খান (আম), ইসলামী আন্দোলনের মো. আল আমিন (হাত পাখা) এবং মাওলানা যুবায়ের আহম্মদ (মিনার)। এ আসনে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭৮ জন ভোটার এবার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
শাহজাহান সিরাজ/রাকিব

Comments are closed.