rockland bd

মায়ের হাসি দেখতে হলে ত্যাগ স্বীকার করে ৩০ ডিসেম্বর মাঠে থাকতে হবে : ফখরুল

0

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,
শুক্রবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ৩০ তারিখ মানুষের রায় দেওয়ার সময়। এ রায়ের মাধ্যমে আমাদের মায়ের হাসি ফুটবে। ওই তারিখে আপনাদের মাঠে থাকতে হবে। আপনারা আলোর দিকে থাকবেন নাকি অন্ধকারে থাকবেন, মুক্তির পথে থাকবেন নাকি পরাধীনতার পথে থাকবেন।
আজ শুক্রবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সোনাকান্দা স্টেডিয়ানে আয়োজিত এক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
গত কয়দিন আগে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে গেলে তিনি বলেন, তোমরা ঐক্যবদ্ধ থাকো এবং একতাবদ্ধ হয়ে জাতিকে মুক্ত করো তাহলেই তাহলে আমি মুক্ত হব।
বিএনপির ১৬ জন প্রার্থীকে জেলে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের জামিন দেয়া হচ্ছেনা অভিযোগ করে মহাসচিব বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন তফসিল ঘোষণার পর হামলা মামলা গ্রেফতার করা হবেনা কিন্তু হচ্ছে তাহলে কি তাকে সত্যবাদী বলা যায়?
তিনি বলেন, লেভেল প্লেইং ফিল্ড বলতে আছে তারা হেলিকপ্টার পতাকা লাগিয়ে প্রচারণা করছে আর আমরা অনুমতি নিয়েও সমাবেশের একটি মঞ্চ বানাতে পারিনা। আমাদের পোস্টার লাগাতে দেয়না, প্রচারণা করতে দেয়না। তবুও ৩০ তারিখ আমরা মুক্তির জন্য এই নির্বাচন করবো।
তিনি বলেন, আমরা যুবকদের চাকুরির ব্যবস্থা করবো আর যতদিন তা না পারবো বেকার ভাতা দিবো। শিল্প কারখানা করবো, মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করবো। ধর্মীয় কোন ভেদাভেদ থাকবেনা। এদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ কারো উপর হাত দেবেন না।
আগের দিন রাত থেকে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিন। ভয় পাবেন না ভয়ের কিছু নেই। আপনি ন্যায়ের জন্য ৩০ ডিসেম্বর ধানের শীষের জন্য ভোটকেন্দ্রে অবস্থান নেন। মানুষ একবারই মরে, বীরের মৃত্যু নেই- বলেন ফখরুল।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, গত ৫ বছরে বাংলাদেশ লুটের বাজার হয়েছে। ব্যাংক, শেয়ার বাজার লুট হয়েছে। মানুষ হত্যা হয়েছে, খুন হয়েছে, গুম হয়েছে। যে অত্যাচার হয়েছে মানুষের কাছে নাফ চাচ্ছেন আমাদেরও আপনি মাফ করে দিয়েন৷
মান্না বলেন, প্রার্থীদের মারছেন, মানুষকে মারছেন রাতের আধারে কিছু লোক নিয়ে মিছিল করে আমাদের হামলা করে মনে করবেন না মানুষ ভয় পেয়ে যাবে।
তিনি বলেন, দেশে মানুষ, শ্রমিক, কৃষকের অধিকার নাই। মনে করেছেন আমাদের ভোট থেকে এসব হামলা মামলা করে সরিয়ে দেবেন এবার ভোট আমরা করবোই। সরবোনা।
আমরা বিদ্রোহ করবো আর সেদিন হবে ৩০ তারিখ, সবাই মিলে আমরা ভোট দিতে যাবো। ৮ টা থেকে ১১ টার মধ্যে ভোট দেয়া শেষ করে দেবেন। তারপর খেয়ে ধেয়ে আমার ভোটকেন্দ্রে যাবেন। যদি পুলিশ ও আওয়ামী পান্ডারা বলে ভোট শেষ চলে যান বলবেন ভোট তো দিয়েছি এখন ফলাফল পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দিবো। অনেক সহ্য করেছি ১০ বছর এখন শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই।
ডা. জাফরউল্লাহ বলেন, শেখ হাসিনা এখন কেন ক্ষমা চায় এখন কারণ তিনিও জানেন তিনি জাতির কাছে ভূল করেছেন। এবার ধানের শীষের জয় কেউ আটকাতে পারবেনা।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের বিএনপির প্রার্থী কাজী মনিরুজ্জামান, ২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ, ৪ আসনের প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমী, ৫ আসনের প্রার্থী এস এম আকরাম, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএন কামাল, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম প্রমুখ।

মোঃ মামুন মিয়া/আর এইচ

Comments are closed.