rockland bd

কুলিয়ারচরে বিএনপির কার্যালয় ভাংচুর, বাড়ি বাড়ি পুলিশের হানা

0

কুলিয়ারচরে বিএনপির কার্যালয় ভাংচুর, বাড়ি বাড়ি পুলিশের হানা

ভৈরব প্রতিনিধি,
বৃহস্পতিবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:
কিশোরগঞ্জ-৬, আসনের কুলিয়ারচরে উপজেলা জিয়া পরিষদ ও ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়সহ ধানের শীষের একাধিক নির্বাচনী ক্যাম্প স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ বিএনপি প্রার্থী মো: শরীফুল আলমের। গতকাল ১৯ ডিসেম্বর, বুধবার রাত
আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে এসব ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
এদিকে বুধবার গভীর রাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে অকথ্যভাষায় গালিগালজ, মারধর ও হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভোক্তভোগি বিএনপি নেতাকর্মীর স্বজনরা।
বিএনপি প্রার্থী শরীফুল আলমের ভগ্নিপতি ও পৌর বিএনপি নেতা সাফি উদ্দিনকে বিনা মামলায় বুধবার রাতেই পৌর এলাকার গাইলকাটা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ।
বিএনপির অভিযোগ ও স্থানীদের সাথে কথা বলে জানাযায়, উপজেলার রামদী ইউনিয়নের বাজরা বাসস্ট্যান্ডে উপজেলা জিয়া পরিষদ, ইউনিয়ন বিএনপি অফিস, বড়ছড়া জিয়া পরিষদ অফিস ও নির্বাচনী ক্যাম্প, মনোহরপুরে নির্বাচনী ক্যাম্প ও আগরপুর বাসস্ট্যান্ডে বিএনপি অফিসে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্রসহ সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুল আলমের ছবি ভাংচুর করে স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।
নির্বাচনকে ঘিরে দমন-পীড়ন, ভাংচুর ও হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে আতংক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এদিকে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কুলয়িারচর পূর্বগাইলকাটা গ্রামে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাৎ হোসেন শাহআলম ও পৌর যুবদলরে সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন বাবুলরে বাসায় বাসায় পুলিশ হানা দেয়। শাহাদাৎ হোসেন ও শহীদ উদ্দিন বাবুল বাসায় ছিলনা তখন।

পুলিশ বাড়ির আঙ্গিনায় ঢুকে এবং দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে।

পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাৎ হোসেনের মেয়ের জামাতা জানান, বুধবার বিকালে তাঁর অসুস্থ্য শাশুরিকে দেখতে এসে শশুর বাড়িতেই রাত্রিযাপন করেন। সে জানান, রাত ৩টার দিকে বাউন্ডারী দেয়াল টপকিয়ে পুলিশ বাড়ির আঙ্গিনায় ঢুকে এবং দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে বিভিন্ন রুমের আসবাবপত্র, আলমারি, সোফা, বিছনাপত্র তছনছ করে।
তাঁর শশুর বিএনপি নেতা শাহাদৎ হোসেনকে না পেয়ে তাকেই (জামাতা) মারধর করেছে বলে অভিযোগ করেন। জামাতা বলেন আমি বেড়াতে এসেও পুলিশের হয়রানি ও মারধর থেকে রেহাই
পায়নি।
ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুল আলম অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীর বিএনপির দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর করে বিভিন্ন আসবাবপত্রসহ মোটরসাইকেল ও দুটি দোকান ভাংচুর করে।
তিনি বলেন, ‘সাফি উদ্দিন কিডনি প্রতিস্থাপন করা একজন অসুস্থ্য মানুষ। এমন একজন অসুস্থ্য রোগীকে পুলিশ বিনা কারণে, বিনা মামলায় আটক করেছে। বিএনপি প্রার্থী এসব ঘটনার তীব্র নিন্দাসহ আটককৃতের মুক্তির দাবি জানান। পুলিশের এমন ধরণের আচরণ উদ্দেশ্যপ্রণিত বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের পিঠুনিতে আহত ধানের শীষের প্রার্থী মো: শরীফুল আলম।
কুলয়িারচর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: নান্নু মোল্লা জানান, সাফি উদ্দনি একাধিক মামলার সন্দেহভাজন আসামী। সেই কারণেই তাকে আটক করা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি পুলিশি তল্লাশির বিষয়ে সে অবগত নয়। এমন ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন।

এম.আর রুবেল/আর এইচ

Comments are closed.