rockland bd

রাবি মতিহার হলে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের অভাবে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে না আবাসিক সিট বরাদ্দ

0

রাবি প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মতিহার হলে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা করতে পারছে না হল কর্তৃপক্ষ। এদিকে আবাসিক সিট পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকা শতাধিক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের উদাসীনতাকে দায়ি করেছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, মতিহার হলের বর্ধিতাংশের দুটি ব্লকের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে চলতি বছর জুন মাসে। এদের মধ্যে একটি ব্লকে শিক্ষার্থীদের আবাসিক সিট বরাদ্দ দেয়া গেলেও প্রয়োজনীয় আসবাবের অভাবে অন্য ব্লকটিতে শিক্ষার্থী তুলতে পারছে না হল কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দফতরের উদাসীনতায় চাহিদা মাফিক আসবাবপত্র পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এরই মধ্যে হলে নতুন করে আবেদন করে আবাসিক সিট বরাদ্দ পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী। গত ৫ মাস ধরে আবাসিক হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকা সত্ত্বেও এই ব্লটিতে আসবাবের অভাবে তারা সিট বরাদ্দ পাচ্ছে না।
মতিহার হল সূত্রে জানা গেছে, গত মে মাসে বর্ধিতাংশের নির্মাণ কাজ শেষ করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এরপর তিন মাস ধরে চিঠি চালাচালি করার পর চেয়ার, টেবিল, খাটসহ অন্যান্য আসবাবপত্র দেয়া হয়। এতে গত সেপ্টেম্বর মাসে নবনির্মিত বি ব্লকের সম্পূূর্ণ অংশ ও সি ব্লকের কয়েকটি কক্ষে শিক্ষার্থীদের আবাসিক সিট বরাদ্দ দেয়া হয়। আসবাবপত্র না থাকায় ১৬টি দ্বি-আসন বিশিষ্ট কক্ষে আবাসিক সিট বরাদ্দ দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হল কর্মকর্তা বলেন, বারবার বলা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রগুলো দিচ্ছে না। সেগুলো দিয়ে দিলেই ১৬টি কক্ষে ৩২ জনকে আবাসন সুবিধা দেয়া যেত।
এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মু. আলী আসগর বলেন, আমরা প্রয়োজনীয় খাট, চেয়ার, টেবিলসহ অন্যান্য জিনিসের জন্য চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি। সেগুলো দেয়া হয়ে গেলে আমরা নতুন আবাসনের জন্য সিট বরাদ্দ দিতে পারব।
জানতে চাইলে এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অর্থের অভাবে আসবাবপত্রগুলো এতদিন দেয়া যায়নি।
পাঁচ মাস যাবত অর্থের অভাবের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন কাগজপত্র না দেখে কিছু বলতে পারব না।

রিজভী আহমেদ/এবিএস

Comments are closed.