rockland bd

গাইবান্ধায় বাড়ছে লেপ তৈরির কারিগরদের কর্মব্যস্ততা

0

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
বুধবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:

ধোয়ারমতো কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ। ঘাসে ঘাসে বিন্দু বিন্দু শিশিরের কনা। উত্তরের শীত হওয়া। এসবই বলছে এখন হেমন্তের শীত। ফসলের ডগার শিশির বিন্দু দিনের প্রথম আলোয় চিকচিক করে উঠছে। গত কয়েক দিনে বেড়েছে হিমেল ঠান্ডা পরশ। গ্রামে মাঠে মাঠে শিশির ভেজা সোনালী ধানের বাহার। কেউ কেউ উৎসবের মতো করে শুরু করেছে ধানকাটা আয়োজন। এদিকে শীতের আগমনের সঙ্গে মানুষের পোশাক পরিচ্ছদ অনেকেই মোটা জামার দিকে ঝুঁকেছেন। শীত জেকে বসার আগেই গাইবান্ধা সদরসহ গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও সাদুল্যাপুরে প্রতি বছরের ন্যায় চলতি শীত মৌসুমে ক্রমেই বাড়ছে লেপ তৈরির কাজে নিয়োজিত পেশাজীবি ধুনকর কারিগরদের কর্মব্যস্ততা। ইতোমধ্যেই ঘটেছে শীতের আগমনি বার্তার পদযাত্রা। দিনের ব্যবধানে প্রতিনিয়ত ক্রমেই লাফিয়ে-লাফিয়ে বাড়ছে শীতের মাত্রা। এখন বিকেল গড়াতে না গড়াতেই রৌদ্রতাপ কমতে থাকে। ঘন কুয়াশাছন্ন হয়ে পড়ে খোলা আকাশ।

অন্যান্যবারের তুলনায় এবারে মৌসুমের শুরুতেই শীতের তীব্রতার মাত্রা বাড়তে থাকায় একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া স্থানীয়রা সকাল-সকালেই তাদের বাসা-বাড়ীতে ফিরছেন।
নিম্নবিত্ত ছাড়া মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তসহ সামর্থ্যবান পরিবার গুলোর মাঝে শীত নিবারণে লেপ বানানোর রীতিমত ধূম পড়েছে। গাইবান্ধা সদর ও বিভিন্ন উপজেলার শহরতলী ছাড়াও গ্রাম-গঞ্জ থেকে লেপ তৈরী করতে আসা নানা শ্রেণী-পেশার লোকজনের পদচারণাও বাড়ছে প্রতিদিন। গাইবান্ধা সদরের পুরাতন কাচারী বাজারে এবং পলাশবাড়ী উপজেলা সদরে লেপ তৈরির একমাত্র চিহ্নিত পয়েন্ট উপজেলা পরিষদ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার জুড়ে টাউনহল চত্বরে লেপ তোশক কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

শাহজাহান সিরাজ/আর বি

Comments are closed.