rockland bd

বিভাগের নাম পরিবর্তন নিয়ে রাবিতে দুই বিভাগের মুখোমুখি অবস্থান

0

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদেরই ক্লাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন

রাবি প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, বাংলাটুডে টোয়েন্টিফোর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত পদার্থবিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (এপিই) বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ইলেক্ট্রনিক অ্যান্ড ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) করার দাবির পক্ষে-বিপক্ষে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর বিভাগ একত্রিকরণ না করার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়ে আন্দোলন শুরু করে ইলেক্ট্রনিক অ্যান্ড ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
পরে প্রথম বিজ্ঞান ভবনের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান নেয় তারা। এর আগে গত ১১ তারিখ থেকে দুই বিভাগ একত্রিতকরণের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে এপিই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনে থাকতে চাই দুই বিভাগই। তবে এপিইই বিভাগ একত্রিকরণ চাইলে ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা একত্রিকরণে কোনভাবেই সম্মত নয় বলে জানিয়ে দিয়েছে। এছাড়া একে অপরের বিরুদ্ধে হয়রানি ও উস্কানির অভিযোগ আনছে তারা।
ইইই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান নাকিব বলেন, ‘কেউ যদি কারও কলিজা নিয়ে টানাটানি শুরু করে তাহলে কেউ সুস্থ থাকতে পারে না। আমাদের বিভাগ একত্রিকরণ নিয়ে যে আন্দোলন করছে সেটি কলিজা ধরে টানাটানির সমান। এতে আমরা পড়ালেখাসহ পরীক্ষায় মনযোগ দিতে পারছি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিজেদের আইডেন্টিটি কারও সাথে শেয়ার করতে চাই না। এই অবস্থার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
অন্যদিকে এপিই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী জানায়, ‘বর্তমানে আমাদের দেশে এই বিভাগের আস্তিত্ব পাওয়া যায় না। দেশের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ইইই করা হলেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে তা করা হয়নি। এ কারণে সমপরিমান পরিশ্রম করা সত্ত্বেও আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া শেষ করে বিভিন্ন জব সেক্টরে আবেদনের সুযোগ পাচ্ছে না।’
মুখোমুখি অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদেরই ক্লাসে ফিরে যাওয়ার জন্য বলেছি। কারণ এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে অচিরেই সিদ্ধান্ত নিবে।

রিজভী আহমেদ/আর এইচ

Comments are closed.