rockland bd

২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে রেজিয়ার সন্তানরা খুশি

0

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি-


২১’আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে ৫২ জন আসামীর মধ্যে বাবর, পিন্টুসহ ১৯ জনের ফাঁসি ও তারেক জিয়া, হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনের জাবতজীবন কারাদন্ড এবং ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজার রায় হওয়ায় রেজিয়ার সন্তানরা বেশ খুশি। ২১ আগষ্ঠ গ্রেনেড হামলায় নিহত কাউনিয়ার মেয়ে রেজিয়ার পুত্র হারুনার রশীদ ও নুরুন নবী মসতুল্ল্যা মামলার রায় হওয়ার পরে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন মায়ের হত্যাকারীদের প্রকৃত শাস্তি হয়েছে, আমরা ন্যায্য বিচার পেয়েছি, এজন্য সৃষ্টি কর্তার নিকট শুকরিয়া জানাই।

তারা জানায় মায়ের হত্যা কারীদের ফাঁসির আদেশ যেন দ্রæত কার্যকর করা হয়। তাদের ফাঁসি কার্যকর হলেই আমাদের মায়ের আত্মা শান্তি পাবে। আমার নানা বয়তুল্লাহর শেষ ইচ্ছা ছিল তার মেয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি দেখে যেতে, কিন্তু ইচ্ছা পুরনের আগেই ৩ বছর পূর্বে পরপারে চলে যান তিনি। এ রায়ে খুশি রেজিয়ার বোনরা সহ পাড়া প্রতিবেশীরাও।

জানাগেছে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার এক জনসভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় ঘটনাস্থলেই মারা যান কাউনিয়ার বালাপাড়া ইউনিয়নের গঙ্গানারায়ণ গ্রামের রেজিয়া খাতুন। রেজিয়ার পুত্ররা আরো জানায়, রেজিয়া ঢাকার আঁগারগাঁও এ ভারতীয় দুতাবাসে ভিসায় ছবি লাগানোর কাজ করতেন এবং হাজারী বাগ এলাকায় বসবাস করতেন। ঢাকা মহানগর হাজারীবাগ এলাকার আওয়ামীলীগের নেত্রী আয়শা মোকাররমের হাত ধরে রেজিয়া হাজারীবাগ মহিলা আওয়ামীলীগের কর্মী হন।

দীর্ঘ একযুগেরও বেশী সময় ঢাকায় আ’লীগের মিছিল মিটিংএ রেজিয়ার ছিল সরব উপস্থিতি। এরই সূত্র ধরে ঘটনার দিন রেজিয়া সহ আরও ২০/২৫ জন মহিলা কর্মীসহ শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দেন। জনসভা চলাকালীন হঠাৎ ভয়াবহ গ্রেনেড বিস্ফোরণে অনান্যদের মত রেজিয়া খাতুনের ঘটনা স্থলে মৃত্যু হয়। ২২ আগস্ট নিহত রেজিয়ার পিতা-মাতা মেয়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ঢাকায় গিয়ে মেয়ের লাশ সনাক্ত করেন, পরে তাকে ঢাকা আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বাংলাটুডে/সারওয়ার আলম/আর বি

Comments are closed.