rockland bd

যশোরের শার্শায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

0

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্য বিষয় সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি শার্শা উপজেলার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বিকাল ৩টায় শার্শা অডিটোরিয়াম হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি শার্শা উপজেলা শাখার সভাপতি আনায়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক ওসমান গনি মুকুলের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরপর ৩ বার জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সাংসদ শেখ আফিল উদ্দীন এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন শার্শা উপজেলার চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার মৌসুমী জেরিন কান্তা, যশোর জেলার শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসিফ উদ -দৌলা অলোক সর্দার, শার্শা উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান, শার্শা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া ফেরদৌস, উপজেলা শিক্ষা অফিসার শেখ আব্দুর রব,শার্শা উপজেলার আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ্য ইব্রাহিম খলিল,কায়বা ইউপি চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ টিংঙ্কু , বেনাপোল ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান, পুটখালী ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার হাদিউজ্জামান,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর হোসেন ,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সর্দার, সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেল।

প্রধান অতিথী শেখ আফিল উদ্দীন উপস্থিত শিক্ষকদের উদ্দেশ্য বলেন শিক্ষার্থীদের যদি সুশিক্ষায় শিক্ষিত না করতে পারেন আপনাদের আল্লাহর দরবারে জবাব দিহি করতে হবে। আপনারই সমাজ কে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব নিয়েছেন। শার্শা উপজেলায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে আমি কোন ছাড় দিব না। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষকরা সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন, বিগত যে কোন সরকারের আমল থেকে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন করা হয়েছে, যা ৪০ বছরেও কোন সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে করতে পারেনি। পৃথিবীতে কেউ সারাজীবন বেঁচে থাকে না শুধু বেঁচে থাকে তার ভালো কর্ম। এছাড়া তিনি শিক্ষকদের মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে সৃষ্টিশীল, আধুনিক, তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর, বিজ্ঞানমনস্ক, সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ, নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহবান জানান। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিনতম পরিশ্রম আপনারই করেন,জেনে শুনে এই কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহন করেছেন। সেই চ্যালেন্জ শিক্ষার্থীদের সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করার মাধ্যমে আপনাদের পূরন করতে হবে।

প্রধান অতিথী শিক্ষকদের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা দিয়ে বলেন প্রত্যেক স্কুলে এ্যাসেম্বলি বাধ্যতামূলক হতে হবে, শিক্ষকদের ভালো পোষাক পরিধান করে বিদ্যালয়ে আসতে হবে, প্রথম ক্লাস ইংরেজি বিষয় দিয়ে শুরু করতে হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপিস্থিত থাকতে হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা টিফিনের সময় বাড়ীতে যেতে পারবেন না।টিফিনের খাবার সাথে করে নিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। সকালে কোন শিক্ষক প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। প্রধান অতিথীকে সংবর্ধনা দেয়ায় তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। এর আগে শিক্ষকবৃন্দরা প্রধান অতিথী শেখ আফিল উদ্দীন এমপিসহ উপস্থিত অতিথী বৃন্দকে ক্রেষ্ট ও ফুলের তোড়া উপহার দেন।
রাকিব/৮/২/১৯

Comments are closed.