rockland bd

পটুয়াখালীতে আ. লীগ নেতাকে পিটিয়ে আহত

0

শাহ্ মুহাম্মদ সুমন রশিদ, বরিশাল ব্যুরো
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় অধ্যাপক মঞ্জুরুল আলম, আবুল কালাম ও নুর মোহাম্মাদের ওপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন সন্ত্রাসীরা।
গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে কলাপাড়া থানার সামনে সন্ত্রাসীদের হামলায় কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ ও কৃষক আবুল কালামসহ আ. লীগ নেতাদেরকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে আহত করেছেন। আহতদেও মধ্যে অধ্যাপক মঞ্জুরুল আলমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে। পরে কলাপাড়া থানা পুলিশের ওসি মো. মনিরুল ইসলাম ও ওসি (তদন্ত) আলী আহম্মেদের নেতৃত্বে পুলিশি প্রহরায় চিকিৎসার জন্য মঞ্জুরুল আলমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আহত মনিরুল ইসলাম বলেন, গত রোববার দুপুরে পৌর শহরের উকিলপট্টি এলাকায় লালুয়া গ্রামের কৃষক আবুল কালাম ও ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদকে সন্ত্রাসীরা মারধর করার পর ঘটনাস্থলে এসে আমি প্রতিবাদ করি। এ সময় লালুয়ার মতি হাওলাদার আমার শার্টের কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে যায়। পরে আমার ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মঞ্জুরুল আলম ও অপর সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে আসেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে থানার সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে মঞ্জুরুল আলম ও মনিরুল ইসলামের ওপর হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এতে রক্তাক্ত হন তারা। আহত অধ্যাপক মঞ্জুরুল আলম বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি মহিউদ্দীনের ভাতিজা নাইমুল ইসলাম নাহিদ আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে। আমার সঙ্গে থাকা কয়েকজন নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায় তারা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা এসএম রাকিবুল আহসান বলেন, থানার সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের ওপর হামলার পর আমরা কেউ নিরাপদ বোধ করছি না। আমরা দলীয়ভাবে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ বিষয়ে দুই-একদিনের মধ্যে জরুরি সভা হবে।এ বিষয়ে কলাপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বাংলাটুডেকে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুলকে কারা মেরে রক্তাক্ত করেছে তা আমি বলতে পারছি না। তবে পূর্ব-শত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। মামলার পরে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
রাকিব/৪/২/১৯

Comments are closed.