rockland bd

গাইবান্ধার রেলরুটে বন্ধ হওয়া ট্রেন ৮ বছরেও চালু হয়নি, যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ

0

গাইবান্ধার রেলরুটে বন্ধ হওয়া ট্রেন ৮ বছরেও চালু হয়নি, যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা (বাংলাটুডে) : প্রায় ৮ বছর পূর্বে বন্ধ হওয়া গাইবান্ধার বোনারপাড়া জংশন স্টেশন থেকে দিনাজপুর গামী রামসাগর ট্রেনটি পূনরায় চালুর দাবি দিনদিন জোড়ালো হলেও তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
রংপুর বিভাগের গাইবান্ধাসহ অন্যান্য জেলার মানুষের স্বল্প সময়ে অল্প খরচে এবং নিরাপদে বোনারপাড়াসহ আশেপাশের এলাকা থেকে দিনাজপুরগামী ট্রেনটি ২০১০ সালে চালু করে রেল কর্তৃপক্ষ। এতে গাইবান্ধা জেলার ৭টি উপজেলা- এমন কি জামালপুর জেলার কয়েকটি উপজেলার মানুষও বোনারপাড়া রেলস্টেশন ও গাইবান্ধা ষ্টেশনে এসে ট্রেনটিতে যাতায়াত করে। দিনাজপুর ও রংপুর বিভাগীয় শহরে যাওয়া আসার জন্য এ ট্রেনটি খুবই জরুরি ছিল। ট্রেনটি চালুর পর যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তিও এসেছিল।
জানা গেছে, বোনারপাড়া রেলস্টেশন থেকে প্রতিদিন সকাল ৬টায় ট্রেনটি দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করত। গাইবান্ধা, কামারপাড়া, নলডাঙ্গা, বামনডাঙ্গা, চৌধুরানী, পীরগাছা, কাউনিয়া রেল স্টেশনের পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ ছাড়াও লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম জেলার মানুষও এ ট্রেন যোগে রংপুর বিভাগীয় শহরে নিরাপদে এবং স্বাচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারত। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড হওয়ায় প্রতিদিন এ অঞ্চলের বিপুল সংখ্যক মানুষ তাদের দাপ্তরিক কাজে দিনাজপুর গিয়ে কাজ সেড়ে আবার বাড়ি ফিরে আসার সুযোগ পেত। এতে আর্থিক ব্যয় কম হত। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী নিয়ে স্বাচ্ছন্দে যাতায়ত করত এসব জেলার মানুষরা।
কিন্তু ২০১২ইং সালে রেলকর্তৃপক্ষ হঠাৎ করে ইঞ্জিন, বগি ও লোকবল সংকট দেখিয়ে ট্রেনটির চলাচল বন্ধ করে দেয় এবং তখন থেকেই চরম বিপাকে পড়ে উল্লেখিত রেলরুটের যাত্রীরা। এতে যাত্রীদের দূর্ভোগও চরম বেড়ে যায়।
বোনারপাড়ার রেলযাত্রী মমিন মিয়া জানান, ট্রেনটি বন্ধ হওয়ায় সাঘাটা, ফুলছড়ি উপজেলা ও গাইবান্ধা জেলার মানুষ দিনাজপুর যেতে হলে গোবিন্দগঞ্জ গিয়ে বাসে উঠতে হচ্ছে। এতে যাত্রীদের অবর্ননীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উত্তরাঞ্চল রেলওয়ের লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় অফিস সূত্রে জানা গেছে, বগি, ইঞ্জিন ও লোকবল সমস্যার কারণে এই মূহূর্তে ট্রেনটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আদৌ ট্রেনটি চালু হবে কিনা এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে পারেননি।

শাহজাহান সিরাজ/আর এইচ

Comments are closed.