rockland bd

কানাডায় বৈধ হচ্ছে গাঁজা, লাভ হতে পারে বাংলাদেশের!

0

ডেস্ক প্রতিবেদন-


প্রথম জি সেভেনভুক্ত দেশ হিসেবে গাঁজা সেবনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে কানাডা। এ ঘটনায় বাংলাদেশের জন্য সৃষ্টি হয়েছে বড় রকমের বাণিজ্য সুযোগ। কানাডায় এ খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন লগ্নিকারকরা।

আশা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে কানাডাতে গাঁজার বাজারের মূল্যমান হবে ১০ হাজার কোটি ডলার।কানাডা মেরু এবং শীতল আবহাওয়ার দেশ। আর গাঁজা উষ্ণমন্ডলীয় নাতিশিতোষ্ণ গুল্ম। কানাডায় গাঁজা উৎপাদনের জন্য গ্রীনহাউজ নির্মানে ব্যয় হচ্ছে কোটি কোটি ডলার।

অপরদিকে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় হাজারো বছর থেকে ঐতিহ্যগত ভাবে গাঁজা উৎপাদিত হয়ে আসছে। এমনকি এই নেশাদ্রব্যটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে আইন করে গাঁজার চাষ ও সেবন নিষিদ্ধ করা হয়।

এর পূর্বে বাংলাদেশ ছিলো অন্যতম বৈধ গাঁজা রপ্তানিকারক দেশ। দেশে গাঁজা নিষিদ্ধ থাকলেও আমদানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে বাংলাদেশও এই ১০ হাজার কোটি ডলারের বাজারে প্রবেশ করতে পারে।

বাংলাদেশে এমন বেশ কিছু অপ্রচলিত পণ্য রয়েছে যা দেশে ব্যবহার হয়না, কিন্তু রপ্তানি করা হয়। যেমন: শুকরের মাংস, কুকুর, কুমিরের মাংস ও চামড়া সহ বেশ কিছু পণ্য। এ উদাহরণের ভিত্তিতেই গাঁজা রপ্তানি সম্ভব।

গাঁজা উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশের সর্বাধিক উপযুক্ত এলাকা কুষ্টিয়া, নওগাঁ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ এবং রংপুর বিভাগের চরাঞ্চল। যদি রপ্তানির জন্য গাঁজা উৎপাদন করাও হয়, তবে তা কঠোর লাইসেন্স এবং নিরাপত্তার আওতায় আনতে হবে।

বিনোদনের জন্য গাঁজার নিষেধাজ্ঞা উত্তোলনকারী ২য় দেশ কানাডা। এর পূর্বে উরুগুয়ে প্রথম দেশ হিসেবে গাঁজা বৈধ করেছিলো। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিলো গাঁজা বৈধকরণ। ধারণা করা হচ্ছে কালোবাজারে গাঁজা বিক্রি বন্ধ হওয়ায় কানাডার অতিরিক্ত ৬ কোটি ডলার আয় হবে।-আমাদের সময় ডটকম

বাংলাটুডে২৪/আর এইচ

Comments are closed.